আল কোরআন এর বাংলা মর্মবাণী: সূরা ও আয়াতের ব্যাখ্যা
আমাদের ব্লগে আপনি পাবে প্রতিটি সূরা ও আয়াতের বিস্তারিত ব্যাখ্যা বাংলায়। আল কোরআনের মর্মবাণী বুঝতে এবং শিখতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। এখানে পণ্য বিজ্ঞাপনের জন্য একটি বিশেষ স্থান রাখা হয়েছে।
5/8/20241 min read
সুরা আন-নাবা (৭৮:১-২০) এর সহজ ও ব্যাখ্যামূলক বাংলা অর্থ
সুরা আন-নাবা (নিউজ বা মহাসংবাদ) মক্কায় অবতীর্ণ একটি গুরুত্বপূর্ণ সূরা। এতে কিয়ামত (প্রলয় দিবস), পুনরুত্থান এবং আল্লাহর অসীম শক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। প্রথম ২০ আয়াতে মূলত মানুষের সন্দেহ, আল্লাহর সৃষ্টি এবং কিয়ামতের ভয়াবহতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, যাতে মানুষ সঠিক পথে ফিরে আসে।
🔷 ১-৩ আয়াত: কী নিয়ে তারা বিতর্ক করছে?
❖ আল্লাহ বলেন:
"তারা কীসের আলোচনা করছে?"
"এক মহাসংবাদ নিয়ে, যা সম্পর্কে তারা মতভেদ করছে।"
🔹 এখানে "মহাসংবাদ" বলতে কিয়ামতের দিন এবং পুনরুত্থানের কথা বোঝানো হয়েছে।
🔹 মক্কার অবিশ্বাসীরা এ বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করত। তারা ভাবত, মৃত্যুর পর আবার জীবিত হওয়া অসম্ভব!
🔹 কিন্তু আল্লাহ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছেন, এটি সত্য এবং একদিন সবাই এই মহাসত্যের মুখোমুখি হবে।
🔷 ৪-৫ আয়াত: খুব শিগগিরই তারা বুঝতে পারবে!
❖ আল্লাহ বলেন:
"কিন্তু না! শীঘ্রই তারা জানতে পারবে।"
"আবারও বলছি, শীঘ্রই তারা জানতে পারবে!"
🔹 এই আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ সাবধান করে দিচ্ছেন— যারা আজ কিয়ামতকে অবিশ্বাস করছে, তারা অচিরেই বুঝতে পারবে কত বড় ভুল করেছিল!
🔹 কিয়ামতের দিন তারা দেখতে পাবে তাদের সব ধারণা ভুল ছিল, কিন্তু তখন আর কিছু করার থাকবে না।
🔷 ৬-১৬ আয়াত: আল্লাহর অসীম শক্তির প্রমাণ
আল্লাহ এখানে আমাদের চারপাশের কিছু বিস্ময়কর সৃষ্টি দেখিয়ে বুঝিয়ে দিচ্ছেন যে, যিনি এত নিখুঁতভাবে সব সৃষ্টি করেছেন, তিনি পুনরুত্থান ঘটাতেও সক্ষম। তিনি বলেন—
1️⃣ "আমি কি পৃথিবীকে বিছানার মতো বানাইনি?"
🔹 আমরা মাটি থেকে খাবার, পানি, গাছপালা পাই। এটি আমাদের জন্য আরামের স্থান।
2️⃣ "আমি কি পাহাড়গুলোকে শক্ত খুঁটির মতো স্থাপন করিনি?"
🔹 পাহাড় মাটির ভারসাম্য রক্ষা করে এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধে সাহায্য করে।
3️⃣ "আমি কি তোমাদেরকে যুগল বানাইনি?"
🔹 পুরুষ ও নারী সৃষ্টি করে মানব জাতিকে বৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার সুযোগ দিয়েছেন।
4️⃣ "আমি কি তোমাদের বিশ্রামের জন্য নিদ্রা বানাইনি?"
🔹 আমাদের শরীর ও মস্তিষ্ককে পুনরায় শক্তি জোগানোর জন্য ঘুম অপরিহার্য।
5️⃣ "আমি কি রাতকে ঢাকার পোশাক বানাইনি?"
🔹 রাতের অন্ধকার আমাদের প্রশান্তি দেয় এবং ক্লান্তি দূর করে।
6️⃣ "আমি কি দিনকে জীবিকার সময় বানাইনি?"
🔹 আমরা দিনের আলোতে কাজ করি, জীবিকা অর্জন করি এবং জীবনকে সুন্দর করি।
7️⃣ "আমি কি উপরিভাগে সাতটি দৃঢ় আকাশ বানাইনি?"
🔹 আকাশের স্তরগুলো আমাদেরকে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করে এবং আবহাওয়ার ভারসাম্য রক্ষা করে।
8️⃣ "আমি কি উজ্জ্বল প্রদীপ (সূর্য) সৃষ্টি করিনি?"
🔹 সূর্যের আলো ছাড়া পৃথিবীতে জীবন অসম্ভব। এটি আমাদের তাপ, আলো ও শক্তি সরবরাহ করে।
9️⃣ "আমি কি বৃষ্টি বর্ষণের জন্য মেঘমালা সৃষ্টি করিনি?"
🔹 পানি ছাড়া জীবন সম্ভব নয়, তাই আল্লাহ আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেন।
🔟 "আমি কি তা দ্বারা শস্য, উদ্ভিদ এবং ঘন বাগান সৃষ্টি করিনি?"
🔹 বৃষ্টি থেকেই আমাদের খাবার, ফল-মূল ও শস্য উৎপন্ন হয়।
🟢 শিক্ষা: আল্লাহ আমাদের জীবনযাত্রার জন্য কী অসংখ্য নিয়ামত দিয়েছেন! যিনি এত বিস্ময়কর সৃষ্টি করতে পারেন, তিনি অবশ্যই কিয়ামত ঘটাতে পারেন।
🔷 ১৭-২০ আয়াত: কিয়ামতের ভয়াবহতা
🔹 এরপর আল্লাহ কিয়ামতের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন—
1️⃣ "নিশ্চয়ই ফয়সালার দিন নির্ধারিত হয়ে আছে!"
🔹 কিয়ামতের দিন মানুষকে তাদের কর্মফল অনুযায়ী বিচার করা হবে।
2️⃣ "যখন শিংগায় ফুঁৎকার দেওয়া হবে, তখন তোমরা দল বেঁধে চলে আসবে!"
🔹 ফেরেশতা ইসরাফিল যখন দ্বিতীয়বার শিংগায় ফুঁৎকার দেবেন, তখন সবাই পুনরুত্থিত হবে এবং আল্লাহর সামনে হাজির হবে।
3️⃣ "আকাশ দ্বারসমূহে পরিণত হবে!"
🔹 আকাশ ফেটে যাবে এবং চারদিকে বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়বে।
4️⃣ "পাহাড়গুলো উড়িয়ে দেওয়া হবে, আর তা মরীচিকার মতো হয়ে যাবে!"
🔹 বিশাল পাহাড়গুলো বাতাসে উড়ে যাবে, যেন তারা কখনো ছিলই না!
🟢 কিয়ামতের ভয়াবহতা:
সেই দিন পৃথিবীর সমস্ত নিয়মকানুন ভেঙে পড়বে।
সব মানুষ সমবেত হবে এবং তাদের ভালো-মন্দ কাজের হিসাব দেওয়া লাগবে।
অবিশ্বাসীরা তখন বুঝবে যে তারা কত বড় ভুল করেছিল, কিন্তু তখন আর ফিরে আসার সুযোগ থাকবে না।
✅ সারসংক্ষেপ: এই আয়াতগুলো থেকে আমরা কী শিখলাম?
1️⃣ কিয়ামত অবশ্যম্ভাবী— এটি নিয়ে সন্দেহ করা উচিত নয়।
2️⃣ আল্লাহর অসংখ্য সৃষ্টি আমাদের চোখের সামনে— এগুলো থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি।
3️⃣ কিয়ামতের দিন মানুষ তার সব কর্মের হিসাব পাবে— ভালো কাজ করলে পুরস্কার, আর খারাপ কাজ করলে শাস্তি।
4️⃣ এখনো সময় আছে! সঠিক পথে চললে আখিরাতে সফলতা পাওয়া সম্ভব।
🔴 এটি আমাদের জন্য একটি কঠিন সতর্কবার্তা! আমরা কি কিয়ামতের জন্য প্রস্তুত?
সুরা আন-নাবা (৭৮:২১-৪০) এর সহজ ও ব্যাখ্যামূলক বাংলা অর্থ
সুরা আন-নাবা (মহাসংবাদ) আমাদের কিয়ামতের ভয়াবহতা ও পরকালীন জীবন সম্পর্কে সচেতন করে। ২১-৪০ আয়াতে আল্লাহ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন কিয়ামতের দিনে মন্দ কাজ করা লোকদের কঠিন শাস্তি হবে, আর সৎকর্মশীলরা পাবেন জান্নাতের সুখ।
🔷 ২১-২৬ আয়াত: অপরাধীদের কঠিন শাস্তি
❖ আল্লাহ বলেন:
"নিশ্চয়ই জাহান্নাম ওঁত পেতে আছে!"
"এটি সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য ঠিকানা।"
"তারা সেখানে যুগ যুগ ধরে অবস্থান করবে।"
"তারা সেখানে কোনো শীতলতা বা পানীয় পাবে না,"
"শুধু ফুটন্ত পানি ও দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ ছাড়া!"
"এটাই তাদের উপযুক্ত প্রতিদান!"
🔹 "জাহান্নাম ওঁত পেতে আছে!"— অর্থাৎ এটি অপরাধীদের জন্য তৈরি, এবং তারা কখন ধরা পড়বে, সেটাই শুধু সময়ের ব্যাপার।
🔹 "সীমালঙ্ঘনকারীদের ঠিকানা!"— যারা আল্লাহর আদেশ অমান্য করে, তাদের জন্য এটি নিশ্চিত শাস্তি।
🔹 "যুগ যুগ ধরে অবস্থান করবে!"— এই শাস্তি সাময়িক নয়, এটি দীর্ঘস্থায়ী হবে।
🔹 "কোনো শীতলতা বা পানীয় পাবে না!"— জাহান্নামে তৃষ্ণার্তরা স্বস্তি খুঁজবে, কিন্তু কোনো আরামদায়ক জিনিস তারা পাবে না।
🔹 "শুধু ফুটন্ত পানি ও দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ ছাড়া!"— তারা একমাত্র পান করবে ফুটন্ত পানি ও রক্ত-পুঁজ, যা অত্যন্ত কষ্টদায়ক।
🔹 "এটাই তাদের উপযুক্ত প্রতিদান!"— কারণ তারা দুনিয়াতে পাপ করেছে, তাই তাদের জন্য কঠিন শাস্তি নির্ধারিত।
🟢 শিক্ষা:
দুনিয়ায় আল্লাহর অবাধ্য হলে আখিরাতে চরম শাস্তি পেতে হবে।
কিয়ামতের দিন মানুষের কর্ম অনুযায়ী তাকে পুরস্কার বা শাস্তি দেওয়া হবে।
🔷 ২৭-৩০ আয়াত: কেন তারা এই শাস্তি পাবে?
❖ আল্লাহ বলেন:
"তারা দুনিয়াতে হিসাব-নিকাশের আশা করেনি।"
"এবং তারা আমাদের আয়াতগুলোকে পুরোপুরি অস্বীকার করেছিল।"
"কিন্তু আমরা সব কিছু গণনা করে রেখেছি।"
"এখন তাদের জন্য শুধু কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে!"
🔹 "তারা দুনিয়াতে হিসাব-নিকাশের আশা করেনি!"— তারা ভাবত, মৃত্যুর পর আর কোনো বিচার হবে না, তাই যা খুশি করেছে।
🔹 "আমাদের আয়াতগুলোকে অস্বীকার করেছিল!"— তারা কুরআনের সতর্কবাণীকে অবহেলা করেছিল, এমনকি ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত।
🔹 "আমরা সব কিছু গণনা করে রেখেছি!"— আল্লাহর জ্ঞান সীমাহীন। মানুষের সব ভালো ও মন্দ কাজ রেকর্ড করা হয়েছে, এবং সে অনুযায়ী বিচার হবে।
🔹 "এখন কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে!"— এখন আর মুক্তি নেই, শুধুই কঠিন শাস্তি!
🟢 শিক্ষা:
যারা আখিরাতে বিশ্বাস করে না, তারা গাফিলতি করে এবং পাপ করে।
আল্লাহ প্রতিটি কাজ হিসাব করে রাখেন, এবং বিচার দিবসে সবকিছুর জবাব দিতে হবে।
🔷 ৩১-৩৬ আয়াত: নেককারদের পুরস্কার – জান্নাতের সুখ
❖ আল্লাহ বলেন:
"নিশ্চয়ই মুত্তাকিদের জন্য রয়েছে সফলতা!"
"ফল-ফলবতী বাগান ও আঙুর!"
"তরুণী সঙ্গিনীরা,"
"এবং পানপাত্রে পূর্ণ গিলাস!"
"তারা সেখানে কোনো অর্থহীন কথা বা মিথ্যা কথা শুনবে না।"
"এটি তোমার রবের পক্ষ থেকে যথাযথ প্রতিদান, যা হিসাব অনুসারে দেওয়া হবে।"
🔹 "মুত্তাকিদের জন্য সফলতা!"— যারা দুনিয়ায় আল্লাহর ভয় রেখে জীবন যাপন করেছে, তারা সফল হবে।
🔹 "ফল-ফলবতী বাগান ও আঙুর!"— জান্নাত হবে প্রচুর ফলমূল, সুস্বাদু খাবারে পরিপূর্ণ এক স্থান।
🔹 "তরুণী সঙ্গিনীরা!"— জান্নাতিদের জন্য থাকবে চমৎকার সঙ্গী, যারা সতীত্বে পূর্ণ হবে।
🔹 "পানপাত্রে পূর্ণ গিলাস!"— জান্নাতের বাসিন্দারা স্বচ্ছ, সুস্বাদু পানীয় পান করবে।
🔹 "কোনো অর্থহীন কথা বা মিথ্যা কথা শুনবে না!"— জান্নাতে থাকবে শুধুই শান্তি, সেখানে গীবত, পরনিন্দা, মিথ্যা কিছুই থাকবে না।
🔹 "এটি তোমার রবের পক্ষ থেকে যথাযথ প্রতিদান!"— দুনিয়ায় যারা ভালো কাজ করেছে, তারা সুবিচার অনুযায়ী জান্নাতের পুরস্কার পাবে।
🟢 শিক্ষা:
যারা আল্লাহকে ভয় করে, তারা জান্নাতে অনন্ত সুখ ভোগ করবে।
জান্নাতে শুধু শান্তি, আনন্দ ও পরিপূর্ণ আনন্দ থাকবে, কোনো দুঃখ থাকবে না।
🔷 ৩৭-৪০ আয়াত: আল্লাহর সার্বভৌম ক্ষমতা
❖ আল্লাহ বলেন:
"তিনি হলেন আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর রব – পরম দয়ালু, কেউ তার সঙ্গে কথা বলতে পারবে না।"
"যেদিন রূহ (জিব্রাইল) ও ফেরেশতারা সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়াবে, কেউ কথা বলবে না, কেবল যার জন্য দয়াময় অনুমতি দেবেন এবং সত্য কথা বলবে।"
"এটি নিশ্চিত সত্য; সুতরাং যে ইচ্ছা করে সে তার রবের কাছে প্রত্যাবর্তনের পথ গ্রহণ করুক।"
"নিশ্চয়ই আমরা তোমাদেরকে আসন্ন শাস্তির বিষয়ে সতর্ক করেছি, যেদিন মানুষ যা আগে করেছে তা দেখবে এবং কাফির বলবে—হায়! যদি আমি মাটি হয়ে যেতাম!"
🔹 "তিনি হলেন আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর রব!"— আল্লাহই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।
🔹 "ফেরেশতারা সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়াবে!"— কিয়ামতের দিন ফেরেশতারা শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে থাকবে এবং কেউ কিছু বলার সাহস করবে না।
🔹 "শুধু অনুমতি দেওয়া ব্যক্তিই কথা বলবে!"— সেদিন কেউ নিজের ইচ্ছায় কিছু বলতে পারবে না, শুধু আল্লাহ যার অনুমতি দেবেন।
🔹 "এটি নিশ্চিত সত্য!"— কিয়ামত আসবেই, এতে কোনো সন্দেহ নেই।
🔹 "কাফির বলবে—হায়! যদি আমি মাটি হয়ে যেতাম!"— দুনিয়াতে যারা অবিশ্বাসী ছিল, তারা সেদিন চাইবে যেন তাদের অস্তিত্বই না থাকত!
🟢 শিক্ষা:
আল্লাহর সামনে সবাইকে দাঁড়াতে হবে, তাই এখনই তার আনুগত্য করা উচিত।
কিয়ামতের দিন কাফিররা চরম অনুশোচনা করবে, কিন্তু তখন আর কিছু করার থাকবে না।
✅ সারসংক্ষেপ: আমরা কী শিখলাম?
1️⃣ জাহান্নামের শাস্তি খুবই ভয়ানক— তাই আমাদের গুনাহ থেকে দূরে থাকা উচিত।
2️⃣ যারা আল্লাহর পথে চলে, তারা জান্নাতের অপার শান্তি পাবে।
3️⃣ কিয়ামতের দিন সবাইকে বিচার দেওয়া হবে— তাই এখনই সঠিক পথে আসতে হবে।
🔴 আমরা কি জান্নাতের পথে আছি, নাকি জাহান্নামের? এখনই চিন্তা করা উচিত! 💭